সম্পর্কের কেমিস্ট্রি

আমার মনে হয়।
পৃথিবী ৪ টা অমূল্য জিনিসের কারনে ঠিকে আছে…।
১)বিশ্বাস-
বিশ্বাস হচ্ছে ভালবাসার শক্তি, মানুশের প্রতি মানুষের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশ্বাস জিনিসটা আগে আসে।
বিশ্বাস ছাড়া  ভালবাসা,বন্ধুত্ব  শ্রদ্ধা ও সম্মান এই বিষয় গুলো বেমানান।
হইত আপনি কাউকে  বিশ্বাস করেন কিন্তু ভালবাসেন না,আর হইত কাউকে ভালবাসেন
কিন্তু ঠিক বিশ্বাস করেন না।
তাহলে হইত এমন এক সময় আসবে আপনি যাকে ভালবাসতেন তাকে আর  ভালবাসেন না
কিন্তু আপনি যাকে  বিশ্বাস  করেন তাকে ভালভাসবেন।
বিশ্বাস জিনিসটা গড়তে যত সময় নেই ভুল বোঝাবুঝির কারনে ভাঙতে কয়েক মুহুত ও লাগে।
বিশ্বাস হারালে ভালবাসা,বন্ধুত্ব, শ্রদ্ধা ও সম্মান এর বৃত্তটা অপূর্ণ থেকে যাই।
এইটা একটা পরমানুর বিন্যাসের মতই,
নিউক্লিয়াস মত এইটাও মধ্যখানে অবস্থান করে ভালবাসা,বন্ধুত্ব, শ্রদ্ধা ও সম্মান এর প্রোটন গুলা কে
সুসম্পর্কের  বিন্যাসে  ধরে রাখে যুগ যুগ ধরে………।
২) বন্ধুত্ব-
পৃথিবীর সব থেকে সরল কিন্তু জটিল এক সম্পর্ক।
সরল হল এই কারনে বন্ধুত্ব করতে একটা সহজ সরল মন প্রয়োজন।
এখানে চেহারা বা বাহ্যিক কোন প্রভাবক এর প্রয়োজন নেই।
জটিল সম্পর্ক কারন বন্ধুত্ব করা মাটির উপর মাটি লেখার মত সহজ কিন্ত তাঁকে ঠিকিয়ে রাখা পানির উপর পানি দিয়ে লেখার মত  কঠিন।
বন্ধুত্ব  সাধারণত ছেলে মেয়ে/ছেলে- ছেলে/মেয়ে-মেয়ে এই  বিন্যাসের মধ্যেই হতে পারে।
কিন্তু মেয়ে-ছেলের বন্ধুত্ব  ভাললাগা ও সময়ের বিক্রিয়ায় বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই প্রেম নামক আরেকটা বিশেষ সম্পর্কের  যৌগ  উৎপন্ন করে।
যা ঠিক চায়না মোবাইল এর মত ভাল হলে তো অনেক দিন ঠিকে,
কিন্তু খারাপ হলে কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাস ও ঠিকে না।
তা ছাড়া আরও একটা বন্ধুত্ব আছে ছেলে- মেয়ের মধ্যে যেটা একটু ভিন্ন,সাধারনত সেটা প্রেমের  যৌগ  উৎপন্ন না করে  ক্ষার জাতীয় টক-মিষ্টি এসিড উৎপাদন করে।
সেটা সহপাঠীর বন্ধুত্ব…………………।
ছেলে-ছেলের বন্ধুত্ব সব চেয়ে আকর্ষণীয়, সাদারনত  টম – এন্ড জেরি ফর্মুলার হয়।
সব সময় ট্যাঠট্যা,ইয়ার্কি,মজা কিন্তু বিপদে বিদ্যুৎ গতিতে সাহায্য পাওয়া যায়।
আবার এই ধরনের বন্ধুত্বের  ভাঙ্গনে বিপরিত মুখী বলের সৃষ্টি হয়ে  বিশ্বাস এবং ভুল বোঝাবুঝির ভুল মিশ্রন এ
S2SO4 উৎপাদন করে।
যেখানে লাগবে জ্বলে যাবে। 
৩)ভালবাসা-
পৃথিবীর সব চেয়ে দামি জিনস।
পৃথিবীতে ভালবাসা আছেই বলেই  পৃথিবী এতো সুন্দর।
এইটা একটা অদৃশ্য টান যেটা শুধু  এককভাবে বা দুইজনেই অনুভব করতে পারে।
অভিমান,বিরহ,বেদনার মিশ্রণের এক আবদ্ধ  মায়াজাল।
প্রিয় মানুষটাকে কল্পনা করা,কারনে অকারনে থাকে স্মরণ করে হৃদস্পন্দন টা থেমে যাওয়া ,তার ভাল থাকার  প্রার্থনা করা,
তাকে অনুভব করা, তার কোন  সাথে কাটানো সময়টাকে মিস করা।
তার সাথে দেখা হওয়ার একটা সুন্দর সময়ের অপেক্ষা করা।
ঘুমানোর আগে তাকে শুভ রাত্রি বলা…………………।
ইত্যাদি
বস্তু /ব্যক্তির প্রকারভেদে  ভালবাসা রয়েছে ভিন্নতা।
কিন্তু মুল বিষয়টা একই, প্রিয় মানুষটার প্রতি সেই  অদৃশ্য মায়াজাল।
জাস্ট একটা কেমিস্ট্রি……………………………।
৪) সম্মান ও শ্রদ্ধা 
এই জিনসটা শুধু মন থেকে আসে……
এক দম  বিশুদ্ধ একটি বিক্রিয়া………………।
সম্মান ও শ্রদ্ধা আছেই বলে পৃথিবীর নিয়ম নীতি গুলা এখনো ঠিকে আছে…………
বড়জন ও সন্মানিত ব্যক্তিকে সম্মান প্রদান করাই ছোটদের দায়িত্ব ও কর্তব্য………।
সব চেয়ে সহজ সূত্র,
সম্মান পেতে হলে আগে সন্মান ও  শ্রদ্ধা   করতে হয়…………।
সন্মান ও  শ্রদ্ধা   মধ্যে কোন  বিশেষ কোন কাজের স্বীকৃতি, বিশ্বাস ও ভাল মানুষিটা  কাজ করে।
সম্মান ও  শ্রদ্ধা মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ পাওয়া যা কোটি টাকায় পাওয়া যায় না।  
এখন………………
এই ৪টা ছাড়া জীবনটা কল্পনা করুন।
পৃথিবীর  অস্তিত্ব  খুজে পাবেন না……

#লেখা- Ainul islam munna 🙂
#www.ainulislam.ml
#mail@ainulislam.ml

Advertisements

student.living in Chittagong, Bangladesh. fan of technology, photography, and music.interested in cricket and travel.

Posted in টুকরো লেখা

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

ব্লগ বিভাগ
ব্লগ সংকলন
%d bloggers like this: