আগে নিজেকে পরিবর্তন করুন ,পৃথিবী পরিবর্তন হয়ে যাবে

একটা সময় আছে, যখন নিজেকে বড় মনে হয়।

বিশেষত  ১৩ – ১৮ বছর বয়সে ।

নিজের  ভাবনা চিন্তা গুলো অনেক  বেশী প্রাধান্য দেওয়া হয় ।

নিজে সব কিছুই জানি   এমন একটা  আত্মগরিমা     প্রত্যেকের   মনের ভেতর কাজ করে।

একটা  জিনিস/ বিষয়/ যাই হোক   না কেন,  আপনি ও  চোখে দেখছেন।

অন্য একজনও  তার চোখ দিয়ে  সে ভাবে দেখছে ।

কিন্তু  দুইজনের  দৃষ্টিভঙ্গি  দুই রকম ।

দুই জনের ভাবনা – চিন্তা দুই রকম ।

এইটায় হল আসল পার্থক্য

আপনি মনে করছেন  আমার   ভাবনা – চিন্তা/ যুক্তি টাই  সঠিক ।

কিন্তু  অপরজন ও সেই  একই  চিন্তা করছে যে  ভাবনা – চিন্তা/ যুক্তি টাই  সঠিক।

আপনারা কেউ হার মেনে নিতে  রাজি নন ।

এই  বিষয়টি কে   সত্য/  সঠিক প্রমান করতে    তুলে ধরতে থাকেন আপনাদের    নিজ নিজ যুক্তি।

প্রতেকে  নিজের মতামত/দৃষ্টিভঙ্গি   অন্যজনের উপর চাপিয়ে দিতে চাই ।

সে আমার মত হোক ।

আমার মতামত কে গ্রহন করুন ।

আপনি  যদি  টম কে  পছন্দ  করেন,

তাহলে আপনিও চাইবেন   অন্যজন ও  টম কে  পছন্দ করুক।

টমকে  পছন্দ  করার এবং জেরিকে  ঘৃণা করার হাজার টা কারন  মুহূর্তেই দেখাতে পারবেন ।

অন্য দিকে, অন্য জন  যে  জেরিকে  পছন্দ   করে

সেই ও চাইবে আপনিও যেন  জেরি কে পছন্দ করেন।

এবং  সে   জেরিকে  পছন্দ  করার এবং টমকে  ঘৃণা করার হাজার টা কারন   তাৎক্ষনিক  দেখাতে পারবে ।

এইটা একটা উদাহারন মাত্র —

আমরা সবাই কোন না সময়  এই ধরনের  আরও  বিভিন্ন  পরিস্তিতির  সম্মুখীন  হয়েছি।

এবং  এর   থেকে  জয়ী বা বের হয়ে আসার নিজ নিজ  পন্থা অবলম্বন করেছি ।

আমাদের   শুধু একটা বিষয় মনে রাখা উচিত এবং শিক্ষা নেওয়া উচিত।

কাউকে  কখনো ছোট করে দেখা উচিত নয় ।

কাউকে নিজের  অযোগ্য ভেবে  মুখভেংগানোর  কোন কারন নেই।

সবাই  জন্ম থেকে সব কিছুতে  পরিপূর্ণ হয়ে  পৃথিবীতে  আসে না

তার পরিবেশই থাকে  পূর্ণতা  দান করে ।

পরিবেশ এর   পার্থক্যই  আপনার  এবং তার মাঝে   যোগ্যতার  ব্যবধান ।

আপনি হইত আপনার   অধীনস্থ  মানুষের  মাঝে নিজে অনেক  বড় শিক্ষিত, মহাজ্ঞানী মনে করছেন

ভাবছেন  এরা  যোগ্যতায়  আপনার   ধারে কাছেও না।

ভুল করবেন।

আপনিও অবশ্যই  কারো না কারো    অধীনস্থ   হয়ে আছেন।

এবং সেইও আপনাকে   তেমন ই  মনে করছে যেমন টা আপনি  করছেন।

তাই  আপনার মতামতের সাথে  সাথে  অন্যজনের  মতামতকেও  সমান ভাবে গুরুত্ব দিন ।

সত্য এবং সুন্দর যে কোন  কিছুকে  মেনে নেওয়ার  মনোভাব গড়ে তুলুন ।

অন্যকে বোঝার  চেষ্টা  করুন ।

নিজের এবং অন্যজনের মাঝে  যোগ্যতার, জ্ঞানের  পার্থক্য না করে

নিজের এবং অন্যজনের  ভাল মন্দ  গুলো বিচার করুন

ভাল টা গ্রহন করুন

মন্দটা  পরিহার করুন এর আপনার ভাল  গুন গুলো দিয়ে অন্যজনকে প্রভাবিত করুন

ভাল থাকুন, আপনার পাশের  জনকে ও  ভাল রাখুন  ……………।।

  

লেখা#দূরের ধ্রবতারা

Advertisements

student.living in Chittagong, Bangladesh. fan of technology, photography, and music.interested in cricket and travel.

Posted in টুকরো লেখা

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

ব্লগ বিভাগ
ব্লগ সংকলন
%d bloggers like this: